
গোলাম মোহাম্মদ কাদের
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ এএম | খবরের কাগজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: কেমন হলো? আগেই এ বিষয়ে আমার বক্তব্য জানিয়েছিলাম, বলেছিলাম নির্বাচনটি ভালো নির্বাচন বা যে নির্বাচনে জনগণের মতামতের প্রতিফলন সঠিক ভাবে হয় বলে ধরা হয় সে ধরনের নির্বাচন হয়নি। নির্বাচনের সংজ্ঞা অনুযায়ী নির্বাচন হতে হবে ‘অবাধ’ ও ‘সুষ্ঠু’।
এখানে ‘অবাধ’ বলতে বুঝায় যেকোনো ভোটার ও যেকোনো রাজনৈতিক দল (যারা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বা সাংবিধানিকভাবে সরকার পরিবর্তনে বিশ্বাসী) অবাধে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। ‘অবাধ’ কথাটার সঙ্গে সে জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থাৎ সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। কিন্তু সব দলের অংশগ্রহণ সম্ভব না হলে কখনো কখনো জণগণের সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দিয়ে ‘বেশির ভাগ মানুষ ভোটে অংশগ্রহণ করেছে বলে ‘অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচন বা অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আরও ভালো বিকল্প ও গ্রহণযোগ্য এ ভাবে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অল্প কিছু দিন আগে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আমরা তেমনটা দেখেছি। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নির্বাহী আদেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। তা ছাড়া তাদের দোসর হিসাবে চিহ্নিত করে ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদসহ আরও বেশ কিছু দলকে জেল-জুলুম ও হিংসাত্মক পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যমে পরোক্ষ ভাবে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। তার একটি গৌরবোজ্জ্বল অতীত আছে। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে এ দলটি নেতৃত্ব দিয়েছিল। যে কোনো বিবেচনায় এ দলটি বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের একটি। তা ছাড়া জনসমর্থনের মাপকাঠিতেও আওয়মী লীগসহ যেসব দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে, তারা এ মুহূর্তে কমপক্ষে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে বলে সাধারণ ভাবে ধারণা করা হয়। ফলে এ সব দলের অনুপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘অবাধ হয়েছে বলা যায় না। যদিও গ্রহণযোগ্য করতে অতীতের ন্যায় অন্তর্ভুক্তিমূলক না হলেও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলা হচ্ছে। আসলে কতটা অংশগ্রহণমূলক হয়েছে সেটা পরবর্তী সময়ে দেখানোর চেষ্টা করব। ‘সুষ্ঠু’ বলতে বুঝায় সব দলের জন্য সমান সুযোগ, নিরপেক্ষ পরিবেশ। সুষ্ঠু কথাটার সঙ্গে সব দলের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা বা লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং পরিবেশ নিরপেক্ষ থাকার বিষয়টি থাকে।
জাতীয় পার্টি প্রথম থেকে নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কারও কাছে নিরপেক্ষতা বা সমান সুযোগ লাভ করেনি।
অন্তর্বর্তীকলীন সরকার আসার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ড, যেমন সভ-সমাবেশ, মিছিল ইত্যাদি বাধাহীন ভাবে করতে সক্ষম হয়নি। সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি বা তাদের ছত্রচ্ছায়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি, জামায়াত, বিএনপি, যে যেখানে পেরেছে জাতীয় পার্টির ওপর হামলা, মামলা ও নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে গেছে। নেতা-কর্মীরা আহত হয়েছে, জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আগুন দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গেছে, হুলিয়া নিয়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে অনেক নেতা-কর্মীকে।
তিনজন সংসদ সদস্য প্রার্থীকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়িয়ে জেলে নেওয়া হয়েছে নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই এবং বারবার জামিন হলেও নতুন মামলা দিয়ে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। নির্বাচন এখন শেষ। অদ্যাবধি তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়নি। দুজন প্রার্থী তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হুমকি থাকার কারণে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকতে পারেননি।
জামায়াত জোটের নেতৃবৃন্দকে সরকারি কর্মকর্তারা যেধরনের প্রটোকল ও সুযোগ সুবিধা দিতেন মনে হতো তারা যেন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। একই সুযোগ সুবিধা পেতেন বিএনপি জোটের নেতারাও। স্বাভাবিক সহায়তাও জাতীয় পার্টিকে দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ওপরও দু-পক্ষকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে অথচ জাতীয় পার্টিকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। তা ছাড়া, মাঠপর্যায়ে জামায়াত ও বিএনপি উভয় জোটই নির্বাচনের প্রায় এক বছরের বেশি সময় আগে থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত হাজার হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন ভাবে ব্যয় করেছে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য। তা ছাড়া নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আওয়ামী সমর্থক গোষ্ঠী ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির সমর্থকদের জামায়াত, বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা তাদের ভোট না দিলে হামলা-মামলা ও ভাঙচুরের হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে।
অর্থাৎ নির্বাচনের সময় সবার জন্য সমান সুবিধা বা লেভেল প্লেয়িং তৈরি করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ নির্বাচনটিকে পেশি শক্তি ও অর্থের প্রলোভনে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করা হয়েছে। নিরপেক্ষ পরিবেশে বিচার বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না। এক কথায় বলা যায় সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না নির্বাচনের পরিবেশ নিরপেক্ষ ছিল না। ফলে, নির্বাচন কোনো মাপকাঠিতে সুষ্ঠু ছিল না। বলেছিলাম নির্বাচনটি ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে খারাপ হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ন্যায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল না শুধু নয়, অংশগ্রহণমূলকও ছিল না। পূর্ব নির্ধারিত ফলাফল অনুযায়ী ছক সাজিয়ে অর্থাৎ কে কোথায় হারবে অথবা জিতবে তা আগে থেকেই ঠিক করে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে আমি আমার আগের লেখায় বলেছিলাম। তখন এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য বা যুক্তি তুলে ধরতে পারিনি।
এখন নিম্নোক্ত তথ্যগুলো যুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলাম। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে মোট ভোট গ্রহণ করা হয়েছে শতকরা ৫৯.৪৪ ভাগ। ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট গ্রহণ কতটা যৌক্তিক?
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী-
মোট ভোটার হলো ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন; মোট ভোট কেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১টি; মোট ভোট গ্রহণ কক্ষের সংখ্যা ২,৪৪,৬৫৯টি। ভোট গ্রহণের সময় সকাল ৭.৩০ থেকে ৪.৩০ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৯ ঘণ্টা বা ৫৪০ মিনিট।
যদি প্রতিটি কেন্দ্রে নিরবচ্ছিনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয় ও প্রতি ভোটারের ঠিক পরেই একজন ভোটার অপেক্ষমাণ থাকে সেক্ষেত্রেও সরকার ঘোষিত ভোট ৫৯.৪৪% দেওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু মাত্র পৌনে ২ মিনিটে কোনো ভোটারের পক্ষে দুটি ব্যালটে ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।
ধরা যাক, ভোট দিতে সময় লাগে ৩ মিনিট, সেক্ষেত্রে কত ভোট বা কত শতাংশ ভোটারের ভোট দেওয়া সম্ভব। মোট সময় ৯ ঘণ্টা= ৫৪০ মিনিট। প্রতিটি ভোটারের সময় ৩ মিনিট; প্রতিটি কক্ষে মোট ভোট দিতে পারবে ৫৪০/৩ = ১৮০ জন ভোটার। সে ক্ষেত্রে মোট ভোট=মোট কক্ষ (২.৪৪.৬৫৯)×প্রতিটি কক্ষের ভোট (১৮০)=৪,৪০,৩৮,৬২০ সংখ্যক ভোটারের ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। ৪,৪০,৩৮,৬২০ সংখ্যক ভোটার মোট ভোটারের অর্থাৎ ১২,৭৭,১১,৭৯৩ এর (৪,৪০,৩৮,৬২০ × ১০০-১২,৭৭,১১,৭৯৩)= ৩৪.৪৮%
যদি ভোট দিতে প্রতিটি ভোটারের ৪ মিনিট সময় লাগে সে ক্ষেত্রে কত ভোটারের কত শতাংশ ভোট দেওয়া সম্ভব। মোট সময় ৯ ঘণ্টা বা ৫৪০ মিনিট, প্রতি ভোটের সময় নিবে ৪ মিনিট সে হিসাবে প্রতি কক্ষে ভোট দেওয়া সম্ভব ৫৪০/৪=১৩৫ জনের। মোট ভোট দেওয়া সম্ভব মোট কক্ষ (২,৪৪,৬৫৯) প্রতিটি কক্ষের ভোট (১৩৫) ৩,৩০,২৮,৯৬৫ জনের ভোট দেওয়া সম্ভব। উপরোক্ত ভোট মোট ভোটের অর্থাৎ ১২,৭৭,১১,৭৯৩ এর (৩,৩০,২৮,৯৬৫ × ১০০-১২,৭৭,১১,৭৯৩) ২৫.৮৬%
দুটো ব্যালটে দলীয় ভোট এবং গণভোট সংগ্রহ করে সীল মেরে দুটো বাক্সে ফেলার জন্য সাধারণত ৪ মিনিট সময় লাগবে বলা যায়। সে হিসাব থেকে এটা স্পষ্ট সকাল ৭.৩০ থেকে বিকাল ৪.৩০ পর্যন্ত ৯ঘণ্টা বা ৫৪০ মিনিট সময়ে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে সার্বক্ষণিক লাইনে ভোটারের উপস্থিতিতে মোট ভোটারের ২৫.৮৬% এর বেশি ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।
কোনো কারণে কোনো ভোট কেন্দ্রে কিছুটা সময় যদি ভোটার না থাকে, সেক্ষেত্রে বিকেল ৪.৩০টার পরেও লাইন করে সে কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিত থাকার কথা। এমনটি কোথাও হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। বরং প্রায় ভোট কেন্দ্রে বেশির ভাগ সময় ভোটার ছিল না, এ ধরনের সংবাদই পাওয়া গেছে।
সে কারণে, যদি ধরে নেই গড়ে প্রতিটি কেন্দ্রে অর্ধেক সময় ভোটার না থাকে সে ক্ষেত্রে অর্ধেক সময় মোট ভোট পড়েছে ২৫.৮৬% এর অর্ধেক বা ১২.৯৩% এর বেশি নয়। ২৫.৮৬% বা মোট ভোট ৩,৩০,২৮,৯৬৫ এর অর্ধেক ১,৬৫,১৪,৪৮২.৫ জন ভোট দিয়েছেন। যদি ধরি ২৫.৮৬% ভোট পড়েছে সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভোট দেখানো হয়েছে (৫৯.৪৪% এর অতিরিক্ত) ৭,৫৯,১১,৮৯০-৩,৩০,২৮,৯৬৫-৪,২৮,৮২,৯২৫টি। যদি ধরি ১২.৯৩% ভোট পড়েছে, সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভোট দেখানো হয়েছে ৭,৫৯,১১,৮৯০-১,৬৫,১৪,৪৮২.৫- প্রায় ৫,৯৩,৯৭,৪০৮টি। ওপরের বিশ্লেষণে দেখা যায়, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ন্যায় বর্তমান ত্রয়োদশ নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে প্রচুর জাল ভোট তৈরি করা হযেছে।
উদ্দেশ্য, প্রথমত, আগের নির্বাচনের মতই নির্বাচনে সব দল না থাকলেও জণগণের সম্পৃক্ততা আছে এটা দেখানোর জন্য, ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক না হলেও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন হয়েছে প্রচার করা হচ্ছে, আগের মতই। দ্বিতীয়ত, এ অতিরিক্ত ভোট ব্যবহার করে পরিকল্পিত ছক অনুযায়ী প্রার্থীদের বিজয়ী করে আনা। ফলে, নির্বাচনটি অবাধ সুষ্ঠু ছিল না। তা ছাড়া, নির্বাচন কমিশন ও সরকার সমন্বয় করে পূর্ব নির্ধারিত ছকের নির্বাচন করেছেন। সেখানে প্রায় ক্ষেত্রে জয়-পরাজয় পূর্ব নির্ধারিত ছিল, বলে ধারণা হয়।
২০২৪ সালের নির্বাচনের পর পরই তৎকালীন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে গাণিতিক বিশ্লেষণে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনে ও সরকারি ভাষ্যের অসাড়তা তুলে ধরছিলাম। একই সঙ্গে বলে ছিলাম নির্বাচনকে ‘অংশ গ্রহণমূলক’ বলে অন্তর্ভুক্তিমূলক দেখানোর জন্য কারচুপি মাধ্যমে অনেক বেশি পরিমাণ ভোটারের উপস্থিতি ও অতিরিক্ত ব্যালট সৃষ্টি করা হয়েছে। তা ছাড়া এ অতিরিক্ত ব্যালট পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করে আনতে ব্যবহারও করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত আমার বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা দৈনিক প্রথম আলোতে, ২৭ মার্চ ২০২৪ (দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আসলে কেমন হলো)। The Daily Sun 28 March 2024 (How Was 12th National Parliamentary Elction?) তারিখে উপসম্পাদকীয় হিসাবে ছাপা হয়েছিল। আমার দৃষ্টিতে, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনিয়মের ক্ষেত্রে সব বিষয়ে ২০২৪-এর নির্বাচনের ন্যায় সম্পূর্ণ এক রকম না হলেও, কিছু কিছু বিষয়ে তার চেয়েও বেশি খারাপ নির্বাচন হিসাবে গণ্য করা যায়। পরিশেষে আবারও বলতে চাই, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এ নির্বাচনের ফলাফল আমরা মেনে নিয়েছি। তা ছাড়া বর্তমান সরকারি দল কারচুপির সঙ্গে সরাসরি জড়িত এমন সুযোগ তাদের ছিল না বলে মনে করি। সে কারণে, নতুন সরকারকে আমরা স্বাগতম জানিয়েছি। তাদের গণমুখী সব কর্মকাণ্ডে আমরা সম্মতি এবং চাইলে সহায়তা দিব।
লেখক: চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টি
পত্রিকায় প্রকাশিত লিংকঃ
https://www.khaborerkagoj.com/opinion/910212
লেখকের ওয়েবসাইটে লিংকঃ https://www.gmquader.com/thirteenth/
